হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

সিরিয়ায় টানেলে বোমা হামলায় নিহত ১১ সেনা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় ভয়াবহ হামলায় দেশটির ১১ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় দুই ডজন সৈন্য। গতকাল শনিবার দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্রোহীদের ভয়াবহ হামলায় হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় বিদ্রোহীরা হামলা চালিয়ে অন্তত ১১ জন সেনাকে হত্যা করেছে। 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, ইদলিব প্রদেশের দক্ষিণে হওয়া এই হামলায় আনসার আল-তাওহিদ গ্রুপ এবং তুর্কেস্তান ইসলামিক পার্টির (টিআইপি) জঙ্গিরা জড়িত।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেছেন, জিহাদিরা সিরিয়ার সেনাবাহিনীদের ক্যাম্পের নিচে খনন করা চোরাপথে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং আশপাশ থেকে আক্রমণ চালায়।

গতকালের এই হামলায় আরও ২০ জন সিরীয় সৈন্য আহত হয়েছেন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, সেনাসদস্যদের ওপর এই হামলার ঘটনা এমন একসময় ঘটল; যখন সিরিয়া এবং তার প্রধান সামরিক মিত্র রাশিয়া ইদলিব প্রদেশের পার্বত্য জাবাল আল-জাওইয়া এলাকায় বোমাবর্ষণ চালাচ্ছে। যদিও বোমাবর্ষণের জেরে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

স্বেচ্ছাসেবক গ্রুপ হোয়াইট হেলমেটের জরুরি পরিষেবা বলেছে, বোমাবর্ষণে দুই শিশু নিহত হয়েছে। নিহত ওই দুই শিশু সম্পর্কে ভাই ও বোন। কানসাফরা গ্রামে তাদের বাড়িতে বোমা আঘাত হানার পর তারা নিহত এবং আরও পাঁচজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়।

সুইস স্কি রিসোর্টের পার্টি রূপ নিল ট্র্যাজেডিতে

থার্টিফার্স্ট নাইটে সুইজারল্যান্ডে বারে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৪০

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি আর মাত্র ১০ শতাংশ বাকি: জেলেনস্কি

ব্রিটেনের রানি ক্যামিলাও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন

জার্মানিতে হলিউড স্টাইলে ডাকাতি, ব্যাংকের ভল্ট কেটে ৩ কোটি ইউরো লুট

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার অভিযোগ—‘মিথ্যা’ বলছে ইউক্রেন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক যুদ্ধবন্দীকে হত্যার অভিযোগ ইউক্রেনীয় কমান্ডারের

জেলেনস্কি চাইলেন ৫০, যুক্তরাষ্ট্র দিতে চায় ১৫ বছরের নিরাপত্তা গ্যারান্টি

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ৪০ যুদ্ধ কভার করা বিবিসি সাংবাদিক

ট্রাম্প-জেলেনস্কির বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধে অগ্রগতি হলেও দনবাস ইস্যু এখনো অমীমাংসিত