হোম > বিশ্ব > এশিয়া

সংলাপে যোগ দিতে ১০০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ মিয়ানমারের জান্তা সরকারের, বিরোধীদের প্রত্যাখ্যান

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং। ছবি: দ্য ইনডিপেনডেন্ট

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সমর্থিত সরকার বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে শান্তি আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে দুটি প্রধান বিদ্রোহী গোষ্ঠী দ্রুত সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং গোষ্ঠীগুলোকে ১০০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের সূচনা করা জেনারেল এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং গত সোমবার এক সরকারি বৈঠকে বলেছেন, যেসব বিদ্রোহী গোষ্ঠী এখনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে রাজি হয়নি, তারা যেন ১০০ দিনের মধ্যে আলোচনায় যোগ দেয়।

মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘যেসব গোষ্ঠী এখনো সংলাপ ও আলোচনায় অংশ নেয়নি, তাদের আমরা ৩১ জুলাইয়ের চূড়ান্ত সময়সীমার মধ্যে আলোচনায় আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’ এসময় তিনি ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের আগে কার্যকর থাকা দেশব্যাপী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে (এনসিএ) স্বাক্ষরকারী বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কথা উল্লেখ করেন।

কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ) তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। গোষ্ঠীটির এক মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, ২০২১ সালে অং সান সু চির বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তারা এনসিএ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল এবং ‘আলোচনায় ফেরার বা এনসিএ–এর পথ অনুসরণ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।’

চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের মুখপাত্র সালাই হতেত নি বলেছেন, তাঁর গোষ্ঠী সামরিক প্রভাবমুক্ত একটি ফেডারেল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা এর জন্য একটি সামরিক-রাজনৈতিক লড়াই লড়ছি, তাই যারা বর্তমানে সামরিক বাহিনী থেকে কেবল নিজেদের অবয়ব পরিবর্তন করে প্রশাসন বলে দাবি করছে, তাদের সাথে আমাদের আলোচনার কিছু নেই।’

সমালোচকদের মতে, গণতন্ত্রের আবরণে সামরিক শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য সাজানো প্রহসনের নির্বাচনের পর চলতি মাসের শুরুতে মিন অং হ্লাইং সংসদ কর্তৃক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। এই নতুন প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত মাত্র অল্প কয়েকটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।

সামরিক শাসনবিরোধী প্রধান সমন্বয়কারী গোষ্ঠী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের (এনইউজি) মুখপাত্র নে ফোন লাত বলেছেন, ‘আমরা সবাই ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছি যে, সামরিক বাহিনীর এই ভুয়া আমন্ত্রণগুলোর লক্ষ্য হলো জনগণকে সামরিক শাসনের অধীনে রাখা দীর্ঘায়িত করা।’

এই অভ্যুত্থান মিয়ানমারের দীর্ঘদিনের সশস্ত্র প্রতিরোধকে আরও তীব্র করেছে। কারণ, গণতন্ত্রকামী কর্মীরা কয়েক দশক ধরে স্বায়ত্তশাসনের লড়াই চালিয়ে আসা জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সাথে যোগ দিয়েছে, যার ফলে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। সামরিক সরকার ২০২২ সাল থেকে জাতিগত সংখ্যালঘু নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক শান্তি আলোচনা করেছে যার লক্ষ্য ছিল সামরিক বিরোধী জোটগুলোকে দুর্বল করা, কিন্তু তাতে বিশেষ কোনো ফল আসেনি।

ইন্দোনেশিয়ায় গৃহকর্মী সুরক্ষা আইন পাস: পেনশন, ছুটিসহ যেসব সুবিধা পাবেন তাঁরা

প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল জাপান

জাপানে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ৩ মিটার উচ্চতার সুনামি সতর্কতা জারি

শ্রীলঙ্কায় ৫১ লাখ রুপির সিগারেট পাচারকালে বাংলাদেশি আটক

সমুদ্রপথে সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গার মৃত্যু ২০২৫ সালে

অস্ট্রেলিয়াকে যুদ্ধজাহাজ সরবরাহ করবে জাপান, ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি

ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৮

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোকে ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি জাপানের

সব রাজনীতিবিদ–কর্মকর্তাদের সম্পদ তদন্ত করবে নেপাল সরকার

খনি থেকে পাওয়া রয়্যালটির ভাগ দিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ধনীকে নির্দেশ