হোম > বিশ্ব > পাকিস্তান

প্রযুক্তিভিত্তিক বহুমাত্রিক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী: আসিম মুনির

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মহড়ার সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিভিন্ন প্রযুক্তগত সরঞ্জাম পর্যবেক্ষণ করেন আসিম মুনির। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বলেছেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যুদ্ধের ভবিষ্যৎ রূপ বদলে যাচ্ছে। পাকিস্তানের সশস্ত্রবাহিনী প্রযুক্তিভিত্তিক বহুমাত্রিক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর গ্যারিসন পরিদর্শনের সময় আসিম মুনির বলেন, ‘যুদ্ধের ধরন ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন এই বিবর্তনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে সব স্তরেই মানসিক পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। ভবিষ্যতে শারীরিক কৌশলের জায়গা নেবে প্রযুক্তিগত কৌশল এবং এটি আক্রমণাত্মক ও রক্ষণাত্মক অভিযানের ধরনকে পুরোপুরি বদলে দেবে। তাই পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী দ্রুতগতিতে প্রযুক্তিকে গ্রহণ ও আত্মস্থ করছে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন উদ্ভাবন, দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়টিই হবে মূল ভিত্তি।’

আইএসপিআর জানায়, বাহাওয়ালপুর গ্যারিসন পরিদর্শনের সময় সেখানে তাঁকে কোর-এর কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক বিষয়ে ব্রিফিং দেওয়া হয়। বিশেষ করে বহুমাত্রিক যুদ্ধের প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় সেখানে।

সেনাপ্রধান খৈরপুর তামেওয়ালিতে স্টিডফাস্ট রিজলভ নামে একটি মাঠ পর্যায়ের মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন। এই মহড়ায় ড্রোন বা চালকবিহীন আকাশযান, উন্নত নজরদারি সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং আধুনিক কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল ব্যবস্থার মতো আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় দেখানো হয়। এটি প্রযুক্তিনির্ভর বহু-মাত্রিক অভিযানে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতাকেই তুলে ধরে।

সৈন্যদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সেনাপ্রধান ও সিডিএফ তাদের উচ্চ মনোবল, পেশাগত দক্ষতা এবং কার্যক্ষম প্রস্তুতির প্রশংসা করেন। তিনি আবারও নিশ্চিত করেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে পুরোপুরি প্রস্তুত। ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্র এবং নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপরও তিনি জোর দেন।

এর আগে ফিল্ড মার্শাল মুনির রোহি ই-স্কিলস লার্নিং হাব—এসটিপি উদ্বোধন করেন। এর লক্ষ্য হলো—শিক্ষার্থী, বিশেষ করে দক্ষিণ পাঞ্জাব ও সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা। তিনি এপিএস আব্বাসিয়া ক্যাম্পাসও উদ্বোধন করেন এবং মানসম্মত শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান পরে ইএমই রিজিওনাল ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেন। সেখানে উন্নত প্রযুক্তি, দেশীয় উদ্ভাবন এবং অন্যান্য যুদ্ধকালীন সহায়তামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র সচল রাখার রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়।

বাহাওয়ালপুর গ্যারিসনে পৌঁছালে বাহাওয়ালপুর কোরের কমান্ডার তাকে অভ্যর্থনা জানান। তিনি ইয়াদগার-ই-শুহাদায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতিহা পাঠ করেন। এর মাধ্যমে তিনি শহীদদের সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

জুলাইয়ের মধ্যেই ফতুর হয়ে যাবে জাতিসংঘ—মহাসচিবের সতর্কবার্তা

ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের অভিযোগে মামলা

গাজায় ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য মেনে নিল ইসরায়েল

প্রতি মাসে ৫০ হাজার রুশ সেনা মারতে চায় ইউক্রেন

বুলেটের বদলে বই—সিরিয়ার শিশুদের মুখে হাসি ফেরাচ্ছে ‘সাংস্কৃতিক বাস’

মার্কিন হামলা হলে এবার ইরানের প্রতিক্রিয়া কেন ভিন্ন হতে পারে

ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নারীর ‘মৌলিক অধিকার’—ভারতে ঐতিহাসিক রায়

সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বিদ্রোহী কুর্দিরা, চুক্তি স্বাক্ষর

মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কানাডার আলবার্টা প্রদেশের স্বাধীনতাকামীদের বৈঠক

ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথাও ভাবছেন ট্রাম্প