হোম > স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিকে যে খাবার খাবেন না

মো. ইকবাল হোসেন 

তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক জটিলতা বাড়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। এ সমস্যা কমিয়ে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।

আটা ও ময়দায় তৈরি খাবার বাদ দিতে হবে। উচ্চ আঁশের পাশাপাশি আটায় গ্লুটেন নামক প্রোটিন থাকে। এটি পরিপাকের কোনো এনজাইম আমাদের শরীরে নেই। তাই আটা ও ময়দায় তৈরি খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সঙ্গে অ্যালার্জি, পেটে ব্যথা ও পাতলা পায়খানাও হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়।

অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে। বেশির ভাগ মসলা পরিপাক করার মতো এনজাইম আমাদের শরীরে নেই। তাই অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। রান্নায় পেঁয়াজ, রসুন, হলুদগুঁড়া, কাঁচা মরিচ, লবণ ও তেল ছাড়া অন্য কোনো মসলা ব্যবহার না করাই ভালো।

তৈলাক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। তেল পরিপাকে বেশি সময় লাগে বলে এটি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

মাছ ও মাংসের ঝোল খাওয়া বাদ দিতে চেষ্টা করবেন। খিচুড়ি, বিরিয়ানি, পোলাওয়ের মতো খাবারগুলো না খাওয়ার বা কম খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

শাকে আঁশের পাশাপাশি সেলুলোজ থাকে। সেলুলোজ হজমকারী সেলুলয়েজ নামক এনজাইম মানুষের পরিপাকতন্ত্রে নেই। তাই শাক কম খাবেন। শাক দুপুরের খাবারের সঙ্গে খাবেন, রাতে খাবেন না।

লেখক: জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল 

জরুরি ভিত্তিতে ৫ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা

টিকাদান কর্মসূচি: হামের টিকা সরবরাহে ঘাটতি ৭৩ শতাংশ

স্মৃতিশক্তি হ্রাস ঠেকানোর উপায় খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা

হাম পরিস্থিতি: টিকা আছে, দেওয়া যাচ্ছে না

সব নমুনা পরীক্ষা ঢাকায়, বাইরে চিকিৎসা বিলম্বিত

হাম থেকে মুক্ত থাকতে জানতে হবে যেসব বিষয়

বিশ্বজুড়ে হামের ভয়াবহ প্রত্যাবর্তন, কারণ কী

হাম কেন এত ছোঁয়াচে, কীভাবে ছড়ায়, চিকিৎসা কী

হামের প্রাদুর্ভাব: নিয়মিত টিকার বাইরে ১০ শতাংশ শিশু

১৯৭০-এর আগে জন্মগ্রহণকারীরা কেন প্রাকৃতিকভাবে হাম প্রতিরোধী