ব্রণ কী এবং কেন হয় এ বিষয়টি বোঝা দরকার। ব্রণ হচ্ছে আমাদের শরীরের ত্বকে ফলিকলের একধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগ। সাধারণত মুখমণ্ডল, গলা, পিঠ ও হাতের উপরিভাগে ব্রণ হয়ে থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে হরমোন টেস্টোস্টেরন ও প্রোজেস্টেরনের প্রভাবে ত্বকের সিবেসিয়াস গ্রন্থি বেশি করে তেল নিঃসরণ শুরু করে। কোনো কারণে সিবেসিয়াস গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সেবাম নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি হয় এবং তা ভেতরে জমে ফুলে ওঠে, যা ব্রণ নামে পরিচিত।
ব্রণ হওয়ার জন্য মূলত হরমোনের ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করা হয়ে থাকে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ওষুধ, যেমন অ্যান্টিবায়োটিকস, স্টেরয়েড কিংবা অতিরিক্ত মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণের ফলেও ব্রণ হতে পারে। বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহারের ফলে ব্রণ হয়ে থাকে। আবার অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসও ব্রণ হওয়ার একটি অন্যতম কারণ। ব্রণ থেকে বাঁচতে কিছু খাবার খেতে হবে বেশি করে। আবার কিছু খাবার বাদ দিতে হবে খাদ্যতালিকা থেকে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
অ্যালকোহল, ক্যাফেইন, মিষ্টি ও দুগ্ধজাতীয় যেকোনো খাবার, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট। এসব খাবার শরীরে কিছু বিশেষ হরমোনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, যা ত্বককে তৈলাক্ত করে।
তৈলাক্ত ত্বকে মূলত ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা বেশি হয়ে থাকে। এ ছাড়া ট্রান্স ফ্যাটজাতীয় খাবার, অতিরিক্ত মসলা, লবণজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে গরুর দুধ খেতে নিষেধ করা হয়, তাই এর পরিবর্তে ওটমিল্ক কিংবা ছাগলের দুধ খাওয়া যেতে পারে।
তালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
চিকিৎসা
লেখক: পুষ্টিবিদ, লেজার ট্রিট