চৈত্রের আবহাওয়া যেন আষাঢ় মাসের রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে কালবৈশাখী। সঙ্গে হচ্ছে শিলা ও বজ্রবৃষ্টি। গতকাল বুধবার নেত্রকোনায় সবচেয়ে বেশি ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় গতকাল দিবাগত রাত থেকে বিরামহীন বৃষ্টি ঝরেছে, আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৪ মিলিমিটার।
আজ বৃহস্পতিবারও প্রচণ্ড বেগে কালবৈশাখী দেশের পাঁচটি বিভাগে আঘাত হানতের পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল ৮ থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা এর বেশি বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রপাত ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এসব অঞ্চল ছাড়াও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। এই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজও দেশের আটটি বিভাগে কালবৈশাখীর আঘাত হানার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কালবৈশাখী ও বৃষ্টির কারণে গরম বেশ কমে এসেছে।
আজ সকাল ৬টায় রাজধানীর ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকাল ৭টা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত ৬টা ১৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে।