হোম > বিনোদন > বলিউড

মেকআপের দরকার পড়ে না কারিনার

বলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে কারিনা কাপুর খানের গ্ল্যামার নিয়ে অনেক কথাই চর্চিত। বলা হয়, কারিনার ত্বক এতটাই ন্যাচারাল যে, মেকআপের দরকার পড়ে না। কারিনা নিজেও তাঁর রূপ রহস্যের বিষয়ে অকপট। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেল এই বলিউড অভিনেত্রীর রূপচর্চার রুটিন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে কারিনা আধঘণ্টা বারান্দায় বসে রোদ পোহান। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা—কোনো ঋতুতেই বাদ যায় না এই রুটিন। ত্বক পরিচর্যায় অন্যান্য তেলের থেকে আমন্ড তেল ব্যবহার করা বেশি পছন্দ করেন কারিনা। আমন্ড তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ই’, যা ত্বককে ময়শ্চার করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আমন্ডের তেল সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকেও ত্বককে রক্ষা করে। কারিনার উজ্জ্বল ত্বকের আরেকটি রহস্য হলো, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন তিনি। প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার পানি পান করেন এই অভিনেত্রী।

এ ছাড়া ফিটনেসের জন্য তিনি সপ্তাহের ছয় দিন শারীরিক পরিশ্রম করে প্রচুর ঘাম ঝরান। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা, পাইলেটস ব্যায়াম, যোগব্যায়াম, জিম, ওয়েট ট্রেনিংসহ আরও অনেক কিছু নিয়মিত করেন কারিনা। তাঁর বিশ্বাস, শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখা জরুরি। তাই নিয়ম করে মেডিটেশন করেন তিনি। আর সপ্তাহে রোববার একদম অন্যভাবে সময় কাটান। সেদিন সব ধরনের শরীর চর্চা থেকে নিজেকে দূরে রাখেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

চা বা কফি থেকে নিজেকে দূরে রাখেন কারিনা। বিকেলের নাশতায় চা-কফির পরিবর্তে মৌসুমি ফল দিয়ে মিল্ক সেক খেতে বেশি পছন্দ করেন। মৌসুমি ফল না খেলে কারিনা এর পরিবর্তে লাচ্ছি, ডাবের পানি ও লেবুর শরবত খেয়ে থাকেন। এসবের মাধ্যমেই পুরো দিন তিনি নিজেকে সতেজ রাখেন। 

ফারহান-রণবীরের দ্বন্দ্ব মেটাতে এগিয়ে এলেন সালমান খান

বলিউডে নিষিদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন রণবীর সিং

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে ‘অপমান’: পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দেনা করে বাবাকে ঘড়ি উপহার, উল্টো ঝাড়ি খেয়েছিলেন সালমান খান

‘লগান’-এর পর ক্রিকেটকেন্দ্রিক নতুন সিনেমায় আমির খান

মটকা কিং সিরিজের সাফল্যে দ্বিতীয় সিজনের ঘোষণা

বছর শেষে বিয়ে করছেন হুমা কুরেশি

‘ছেলে বাড়ি-গাড়ি কিছুই চায় না’, জেন-জিদের নিয়ে মুগ্ধ আর মাধবন

রাজ-ডিকের নতুন সিনেমায় সুপারহিরো সালমান খান, শুটিং শুরু অক্টোবরে

দুই মিনিটের নাটিকায় বুঁদ ভারত, মাইক্রো-ড্রামার বাজার এখন ৩০ কোটি ডলার