হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

পর্যটন খাতের অংশীজনদের নিয়ে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় গোলটেবিল বৈঠক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ‘অর্থবহ পর্যটন’ (Meaningful Tourism) ধারণা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনরা।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে ‘অর্থবহ পর্যটন: পরিকল্পনা ও টেকসই উন্নয়নের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ মত দেন।

গোলটেবিলে জার্মানির আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. উলফগ্যাং জর্জি আর্ল্ট (FRGS, FRAS) মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের পর্যটন খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল ‘অর্থবহ পর্যটন’ ধারণাকে এমন একটি কার্যকর উন্নয়ন মডেল হিসেবে তুলে ধরা, যার মাধ্যমে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ বাস্তব সুফল ও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পাবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মাহাবুব পারভেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির।

গোলটেবিলে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (TOAB) সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. জিয়াউল হক হাওলাদার, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (ATAB) মো. জালাল উদ্দিন টিপু, পাটা বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মো. তওফিক রহমান, নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার পরিচালক (বিপণন) রিজওয়ান মারুফ, ওয়েস্টিন ঢাকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, বিশ্ব পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পর্যটন খাতও দ্রুত বদলে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পর্যটকদের পরিবর্তিত চাহিদা ও আচরণের কারণে প্রচলিত অনেক ব্যবসায়িক মডেল অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তবে একই সঙ্গে নতুন সেবা ও নতুন পর্যটন গন্তব্য তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।

বক্তারা জানান, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে মাত্র ৬ লাখ ৫০ হাজার বিদেশি পর্যটক ভ্রমণ করেন, যাদের মাধ্যমে ৪৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশের বেশি মানুষ বাংলাদেশে বাস করলেও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মাত্র ০.০৫ শতাংশ বাংলাদেশে আসে।

বক্তারা বলেন, বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির ক্ষতি এবং পর্যটন আয়ের বড় অংশ বিদেশে চলে যাওয়ার মতো সমস্যার মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ যদি এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগোয়, তবে এই চ্যালেঞ্জগুলোকে সুযোগে পরিণত করা সম্ভব।

বক্তারা আরও বলেন, পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির চেয়ে সেবার মান উন্নয়ন এবং বিশেষ করে আঞ্চলিক বাজারভিত্তিক বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করতে পারলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

টেকাথন ন্যাশনালসে দুই বিভাগে চ্যাম্পিয়ন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

‎জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ‎জুলাইয়ের দুই পরীক্ষা স্থগিত

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে অ্যাডমিশন ফেয়ার সামার-২০২৬

ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের ২০ বছর পূর্তি

গাছ ভেঙে পড়ে দুমড়েমুচড়ে গেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস

ইউআইইউ রেসকিউ রোভার টিম: প্রথমবার অংশ নিয়েই বিশ্বমঞ্চে সাফল্য

এশিয়ার সেরা কালিয়াকৈরের খুদে তাজ

সিমাগো র‌্যাঙ্কিং: এনার্জিতে দ্বিতীয়, গণিতে তৃতীয় পাবিপ্রবি

গবেষণার হাত ধরেই বদলাবে আগামী

বিইউএফটিতে তিন দিনের সিনেফ্রেম ফেস্ট