পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদারে একমত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও সুইডেন দূতাবাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে আজ বুধবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন) নায়োকা মারটিনেজ বেকস্ট্রম। এ সময় তাঁরা সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান।
বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের সক্রিয় সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জটিল বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সুইডেন ও জার্মানির সহায়তায় ইতিমধ্যে একাধিক পাবলিক কনসালটেশন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, শিগগিরই একটি বড় কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয় বৈঠকে। এতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় সম্পৃক্ততা থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয় বৈঠকে।
বৈঠকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।