সভাপতি পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, ডিগ্রি কলেজ, মাদ্রাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়—সব ক্ষেত্রেই সভাপতি পদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করা হচ্ছে বলে তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘তারপরে কমিটি যেভাবে ফরমেশন সিস্টেমে রয়েছে, সেই ফরমেশন সিস্টেমে আমরা আসছি।’
একসময় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হতে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হতো না। ২০২৪ সালের মে মাসে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা সংশোধন করে সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমান নির্ধারণ করা হয়।
২০২৫ সালের আগস্টে এ যোগ্যতা আরও বাড়ানো হয়। তখন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গভর্নিং বডির সভাপতি হওয়ার জন্য স্নাতকোত্তর অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয় এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়।
সম্প্রতি সভাপতির যোগ্যতার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্তের আলোচনা শুরু হয়। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে আলোচনা হয়। যদিও ওই বৈঠক শেষে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, এখন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।
পরে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আবারও বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উচ্চমাধ্যমিক কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়া বা গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট হওয়ার বেসলাইন হচ্ছে স্নাতক। এরপরেও অনেক কিছু আমরা দেখব।’