বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
সাখাওয়াত আলী খান কিছুদিন আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এরপর কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়। রোববার রাতে তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে, দুই নাতিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মেয়ে সুমনা শারমীন দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আজ সোমবার তাঁর জানাজা সম্পন্ন হয়। উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক গোলাম রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। পরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে তাঁকে দাফন করা হয়।
সাখাওয়াত আলী খান ২০০৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অবসরে যান। এরপর তিনি সেখানে পাঁচ বছর সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি বিভাগের ‘অনারারি প্রফেসর’ ছিলেন। এ ছাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউল্যাবের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সাখাওয়াত আলী খান ১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেন।