বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্কুল ও কলেজের শীর্ষ পদে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক) নিয়োগ পেতে ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর সংশোধনী থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হতো।
পরিপত্রে বলা হয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ/উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ/ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে এমপিওভুক্ত হিসেবে কর্মরত অথবা এমপিওভুক্ত হিসেবে ডিগ্রি কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ/স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রভাষক অথবা প্রভাষক ও জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বা সহকারী অধ্যাপক পদে মোট ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আরও বলা হয়েছে, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী সহকারী প্রধান শিক্ষক বা নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে তিন বছরের ভিজ্ঞতাসহ এমপিওভুক্ত পদে সর্বমোট ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
এবারই প্রথম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এনটিআরসিএর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্য পদে নিয়োগের পরীক্ষা দিতে গত ২৯ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এ নিয়োগের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি।
গত ২৭ জানুয়ারি জারি করা এ পরিপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগের ক্ষমতা দেয় এনটিআরসিএকে।
এর আগে ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আয়োজন ও ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগের প্রার্থী নির্বাচন ও নিয়োগ সুপারিশ করছে এনটিআরসিএ।