হোম > অর্থনীতি

বাজারদর: তেল, মাংস ও মুরগির বাজার এখনো চড়া

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাড়তি চাহিদার কারণে যে কটি পণ্যের দাম বেড়েছিল, তার মধ্যে ভোজ্যতেল, গরুর মাংস ও সোনালি মুরগি অন্যতম। এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় ঈদের কয়েক দিন আগেই। ক্রেতাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদ শেষে এসব পণ্যের দাম আবার আগের জায়গায় নেমে আসবে। কিন্তু এসব পণ্য আগের মতোই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঈদের পর সবজির দাম কমে এলেও চলতি সপ্তাহে আবার কিছুটা বেড়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচা, খিলগাঁও, তালতলা, মুগদা, মানিকনগরসহ বিভিন্ন এলাকার বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়। তবে বাজারে আগের মতোই কিছুটা কম দামে পাওয়া যাচ্ছে ডিম, আলু, পেঁয়াজসহ বেশ কিছু পণ্য। চাল, ডাল, চিনিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম স্থির রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ এলাকায় গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা কেজি। তবে কিছু কিছু বাজারে ৮০০ টাকা ও কিছু কিছু বাজারে ৭৫০ টাকাতেও মিলছে।

রোজার শুরুতে এক দফা বেড়ে গরুর মাংসের দাম ৭৫০-৮০০ টাকায় উঠেছিল। তবে ঈদের আগে তা কোথাও কোথাও ৮৫০-৯০০ টাকা কেজিতেও বিক্রি হয়।

রাজধানীর খিলগাঁও বাজারের ক্রেতা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গরুর মাংসের দামে কোনো শৃঙ্খলা নেই। আমি মুগদা বাজারে দেখলাম ৭৫০ টাকা, কিন্তু খিলগাঁও বাজারে ৮৫০ টাকা। এসব দেখার মতো সরকারের কেউ নেই মনে হচ্ছে।’

বেড়েছে সোনালি জাতের মুরগির দাম। ঈদের আগে আগে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৪০-৩৭০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৩৮০-৪০০ টাকা কেজি। অথচ রোজার শুরু থেকে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সোনালি মুরগির দাম ছিল ২৭০-৩২০ টাকা।

রাজধানীর আগারগাঁও, কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করে খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে দুই দিন আগেও খোলা সয়াবিনের লিটার ছিল ১৮০-১৮৫ টাকা। গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৯০-১৯২ টাকা দরে। একইভাবে দুই দিন আগের ১৭৫ টাকার পাম অয়েলের লিটার গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৮৪-১৮৫ টাকায়। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে লিটারে দর বেড়েছে যথাক্রমে ৭-১০ ও ৯-১০ টাকা।

সর্বশেষ গত ডিসেম্বর সরকার প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭৬ ও পাম অয়েল ১৬৬ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। সেই হিসাবে বাজারে সয়াবিনের লিটার ১৪-১৬ এবং পাম অয়েল ১৮-১৯ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আগের মতোই রয়েছে, ১৯৫ টাকা লিটার। যদিও বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। সে কারণে মিলগেটে দর বেড়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের সংকটে পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে তেলের দামে।

ভোজ্যতেলের পাশাপাশি বাজারে সবজির দরও বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। কোনোটির দাম ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

গতকাল প্রতি কেজি পটোল ৮০ থেকে ৮৫, ঢ্যাঁড়স ৭০-৭৫, উচ্ছে ১০০-১২০ এবং বেগুন ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। শিম বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকা কেজি।

সবজি ব্যবসায়ীরা জানান, ট্রাকের ভাড়া আগের তুলনায় এক-দেড় হাজার টাকা বেড়েছে। এ কারণে সবজির দর বাড়তি। তবে মৌসুম শেষ হওয়ায় শিমের দাম বাড়ছে বলে জানান তাঁরা।

এনবিআরে বাজুসের প্রস্তাব: বাজেটে সোনা ও হীরায় ব্যাপক করছাড় দাবি

ইপিবির প্রতিবেদন: রপ্তানি আয়ে বৈশ্বিক অস্থিরতার চাপ

সংকট মোকাবিলা: বিকল্প উৎস থেকে সাত লাখ টন তেল আনা হবে

এক প্রান্তিকে নগদের সর্বোচ্চ লেনদেনের নতুন রেকর্ড

সৌদি থেকে বিকল্প পথে চট্টগ্রামে আসছে ১ লাখ টন তেল

১২ কেজির এলপিজির দাম বেড়ে ১৭২৮ টাকা

মজুত পর্যাপ্ত, এপ্রিল মাসে আমরা পুরোপুরি নিরাপদ: জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব

ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম বাড়ল ৫ ডলারের বেশি, সোনার বাজারও ঊর্ধ্বমুখী

নভোএয়ারের টিকিটে ১৫% ছাড়, কক্সবাজার ভ্রমণে প্যাকেজ অফার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: খাতুনগঞ্জে আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী