হোম > অর্থনীতি

দেশে মজুত আছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন তেল: জ্বালানি বিভাগ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মজুতের ৩০ মার্চ পর্যন্ত হিসাব তুলে ধরেছেন বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী।

মুখপাত্র আরও জানান, দেশে বর্তমান মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন ও জেট ফুয়েল রয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।

এই জ্বালানি তেল দিয়ে আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ টন ডিজেল দেশে আসবে। ফলে আগামী মাসেও জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।

অকটেন ও পেট্রলের ব্যবহার তুলনামূলক কম উল্লেখ করে জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র বলেন, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি, সেচ ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়।

মনির হোসেন চৌধুরী আরও জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো ও অনলাইন ক্লাস চালুর মতো পদক্ষেপও আলোচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া মনির হোসেন জানান, আজ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতি মাসের মতো জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মনির হোসেন আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

এর আগে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অথচ আমাদের প্রকৃত ব্যয় প্রতি লিটার ১৯৮ টাকা। একইভাবে অকটেনের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১২০ টাকা আর প্রকৃত ব্যয় ১৫০ টাকা ৭২ পয়সা।’

জ্বালানিমন্ত্রী জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসের আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দরের তুলনায় ১-২৯ মার্চ সময়ে ৯৮ শতাংশ বেড়েছে এবং অকটেনের বেড়েছে ২৬ শতাংশ। সরকার জনগণের স্বার্থে উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দিচ্ছে। এই দুটি জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ডিজেলের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ও অকটেনের ক্ষেত্রে ৬৩৬ কোটি টাকা, মোট ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা।

এ ছাড়া, পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির জন্য এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে বলে জানান মন্ত্রী।

এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না

জ্বালানি তেলের নতুন দর নির্ধারণ হতে পারে আজ

অবৈধ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার

এক দিনে ৮৭ হাজার লিটার তেল উদ্ধার, ৯ লাখ টাকা জরিমানা

অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় ইরানের হামলা, সরবরাহ সংকটে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র

বাজেট বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক করার প্রস্তাব সিপিডির

নিউজপ্রিন্ট আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার ও করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব নোয়াবের

বড় পতনের পর দেশের বাজারে আবার বাড়ল সোনার দাম

ঋণছাড় কম, শোধের চাপ বেড়েছে

আট মাসে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ৩৫ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা