হবিগঞ্জে প্রতিবেশী দুই পক্ষের সংঘর্ষে থামাতে গিয়ে শৈলেশ বর্মণ (৭০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
আজ বুধবার সকালে শহরের নাতিরাবাদ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শৈলেশ বর্মণ পেশায় একজন লন্ড্রি ব্যবসায়ী ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, শহরের নাতিরাবাদ এলাকার আব্দুল রশিদ ও একই এলাকার রঞ্জিত বর্মণ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে শৈলেশ বর্মণ নিহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ফাতেমা আক্তার নিশি তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শৈলেশ বর্মণের ছেলে স্বপ্ন বর্মণ বলেন, ‘আব্দুল রশিদ ও রঞ্জিত বর্মণ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়েন। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আমার বাবাকে আব্দুল রশিদ ধাক্কা দিয়ে আহত করে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমি আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মোবারক হোসেন বলেন, সকালে শহরের নাতিরাবাদ দুই পক্ষের সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এতে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে শৈলেশ বর্মণ নামে একজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত আছে।