হোম > সারা দেশ > সিলেট

ঘুষের ৬ লাখ টাকাসহ ওসমানী হাসপাতালের দুই নার্স আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঘুষের ৬ লাখ টাকাসহ দুই নার্সকে আটক করেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁদের আটক করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া।

আটক দুই নার্স হলেন—সুমন চন্দ্র দেব ও আমিনুল ইসলাম। তাঁদের একজন হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে এবং অপরজন বহির্বিভাগে কাজ করেন।

হাসপাতাল সুত্র জানায়, গীতা রাণী হালদার নামের এক সিনিয়র নার্স ২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর সাসপেন্ড হন। পরে ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর গীতার সাসপেন্ড আদেশ প্রত্যাহার হয়। এর ৫ দিন পর তিনি হাসপাতালে যোগদান করেন। সাসপেন্ড থাকাকালে গীতার এরিয়ার বিল প্রায় ৩৬ লাখ টাকার বেশি জমে। সেই বিল উত্তোলনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চক্রটির (নার্স সুমন-আমিনুল) সঙ্গে সাড়ে ৬ লাখ টাকার চুক্তি হয় গীতার।

মঙ্গলবার ৬ লাখ টাকা নিয়ে আসেন তিনি। টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন আমিনুল। এ ঘটনার পর থেকে হাসপাতালটির নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল আলী সাদেক লাপাত্তা রয়েছেন। র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে খুঁজছেন।

হাসপাতালের নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামিমা নাসরিনের বরাত দিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, সাদা পোশাকের একদল লোক সিনিয়র নার্স আমিনুলকে ধরে নিয়ে গেছে। এরপরই ডিজিএফআইয়ের সংশ্লিষ্টরা ফোন করে জানান, অবৈধ লেনদেনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ৬ লাখ টাকাসহ তাঁরা আমিনুল ও সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছেন।

তিনি আরও জানান, একজন সিনিয়র নার্সের এরিয়ার বিল সংক্রান্ত লেনদেনের সূত্র ধরে তাঁদের আটক করা হয়। তবে আমিনুলকে আটক করা হলেও ওই গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য ছিল, ওসমানীর নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল আলী সাদেক সেখানে লেনদেন করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি না গিয়ে সেখানে অন্যদের পাঠিয়েছেন।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুব আরও জানান, হাসপাতালটিকে জিম্মি করতে বিভিন্ন দালাল চক্র সক্রিয়, এটা সবাই জানেন। তবে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাটি এখন এ বিষয়ে কাজ করছে।

ডা. মাহবুব জানান, ৬ লাখ টাকাসহ আটক আমিনুল ও সুমনের ব্যাপারে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি বোর্ড গঠন করে পুরো বিষয়টি তদন্ত করবেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আমিনুল ও সুমনকে ডিজিএফআই জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তখনও ঈসরাইল আলী সাদেককে পাওয়া যায়নি জানিয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া আজকের পত্রিকাকে জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের ৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাও দায়ের করা হবে।

মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রিতে

১৪ জানুয়ারি দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা হোটেল–রেস্তোরাঁর শ্রমিকদের

মব ভায়োলেন্স গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল

সুনামগঞ্জ-৩ আসন: ৮ প্রার্থীর ৩ জনই কোটিপতি

নির্বাচনী হলফনামা: সম্পদ বেড়েছে আরিফের, স্ত্রীও হয়েছেন কোটিপতি

সিকৃবিতে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৩.৪১ শতাংশ

অনেক বছর পরে একটা প্রকৃত ভোট হবে: রিজওয়ানা হাসান

সাদাপাথর-কাণ্ড: সাহাব উদ্দিনকে দলীয় পদ ফিরিয়ে দিল বিএনপি

সিলেটে টিলা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করায় আটক ১৬

সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, নারী–শিশুসহ আটক ১১