হোম > সারা দেশ > রংপুর

রংপুরে ৪ খুন: জেলগেটে আসামিদের ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ, রহস্য উদ্‌ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ

রংপুর প্রতিনিধি

গ্রেপ্তার দুজনকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি: আজকের পত্রিকা

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার আদালতের দেওয়া আদেশ অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আগামীকাল বুধবারও তাঁদের তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি তিনি।

রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, আদালতের নির্দেশে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পাওয়া গেছে। এর অংশ হিসেবে আজ প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে। আগামীকালও তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আলোচিত এই চার খুনের মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে পুলিশ।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ বিষয়ে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের হলরুমে সাংবাদিকদের তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘রংপুরে আলোচিত এই ফোর মার্ডার একটি রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। আমরা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে আছি।’ মামলাটি তদন্তাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। সর্বোচ্চ পেশাদারি বজায় রেখে মামলার নিষ্পত্তি করা হবে বলেও মন্তব্য করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এর আগে গতকাল সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটনের মুখ্য হাকিম-২ রফিকুল ইসলামের আদালত দুই আসামিকে জেলগেটে দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ২১ আগস্ট নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে খুন হয় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী (২৪) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)। ২২ আগস্ট রাতে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় নিজ বাড়ি থেকে। ওই দিন রাতেই কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। পরে নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:

গঙ্গাচড়ায় বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রংপুরে পৃথক অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৩

বিড়ির ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ

রংপুরের পীরগঞ্জ: পানি নেই, আমনের খেত ফেটে চৌচির

তীব্র দাবদাহে আমনখেতে ফাটল, ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

পূজামণ্ডপে ডেকোরেশনের সরঞ্জাম খুলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু

কাউনিয়ায় ফখরুল হত্যা মামলায় আসামি গ্রেপ্তার

পীরগঞ্জে বাসের ধাক্কায় নিহত ১, মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরে বাড়ির সামনে ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে রংপুর, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি