হোম > সারা দেশ > বগুড়া

বগুড়ায় দাফনের সাড়ে সাত মাস পর কবর থেকে তোলা হলো শিশুর লাশ

বগুড়া প্রতিনিধি

আদালতে করা হত্যা মামলায় বগুড়ার নন্দীগ্রামে দাফনে সাড়ে সাত মাস পর চার মাস বয়সী এক শিশুর লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। 

আজ শনিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদমান আকিফের উপস্থিতিতে পিবিআই বগুড়ার এসআই নাজমুল হক নন্দীগ্রাম কচুগাড়ি কবরস্থান থেকে শিশুটির লাশ উত্তোলন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রামের শিল্প ও বণিক সমিতির সহসভাপতি এ কে এম ফজলুল হক কাশেমের দ্বিতীয় স্ত্রী সালমা বেগম। তাঁর চার মাসের শিশুপুত্র নূর সাফায়েত মিজানকে শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগে এনে আদালতে হত্যা মামলা করেন সালমা বেগম। ওই মামলায় আসামি করা হয় এ কে এম ফজলুল হক কাশেমের প্রথম স্ত্রীর পক্ষের ছেলে জোবায়ের হোসেন সেতু, মেয়ে নূর আফরোজ জ্যোতি ও পুত্রবধূ সাথী আকতারকে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে আসামিরা চার মাসের শিশুপুত্র নূর সাফায়েত মিজানকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। চলতি বছরের ১৩ মে এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই শিশুর মা সালমা বেগম। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই বগুড়াকে আদেশ দেন। এরপর পিবিআই বগুড়ার এসআই নাজমুল হক মামলাটির তদন্ত শুরু করেন।

এসআই নাজমুল হক বলেন, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আদালতের আদেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদমান আকিফ জানান, বাদীর উপস্থিতিতে শিশুটির লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ আবারও দাফন করা হবে।

জাতীয় নির্বাচনের আগেই শাকসু দাবি রাবি শিবিরের

এনসিপির রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে দুই কমিটিই স্থগিত

নাটোরে আদালত প্রাঙ্গণে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৩

রাকসু জিএস আম্মারের ‘মানসিক চিকিৎসা’র দাবিতে ছাত্রদলের মানববন্ধন

আচরণবিধি লঙ্ঘন: জামায়াতের নায়েবে আমিরকে শোকজ

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে টানানো ব্যানার সরিয়ে আম্মারের ভিডিও পোস্ট

দেশকে পাল্টে দিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ লাখ পুলিশকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাবিতে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি লড়ছেন ৫৯ পরীক্ষার্থী

ভর্তি পরীক্ষায় বসে বাবাকে প্রশ্নপত্রের ছবি পাঠাতে গিয়ে ধরা