বগুড়ার গাবতলীতে নাশকতার মামলায় বিএনপির ছয় নেতার রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাবতলী আদালতের বিচারক সঞ্চিতা ইসলাম এ নির্দেশ দেন।
বিএনপির ওই ছয় নেতা হলেন গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ মিল্টন, পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম পিন্টু, মহিলা দল নেত্রী সুরাইয়া জেরিন রনি, হারুন অর রশিদ হারুন এবং ফজলে রাব্বী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাবতলী মডেল থানার এসআই সোলাইমান আলী।
সোলায়মান আলী জানান, নাশকতার মামলায় ছয়জন আসামিকে আদালতে এনে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানানো হয়। আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ আছে, গত ২৭ মে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বিএনপির সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুরাইয়া জেরিন রনি।
তাঁর ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে ২৯ মে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় গাবতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ। তাদের ওই কর্মসূচি ঘিরেই সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের ঘটনায় ও বিস্ফোরক আইনে গাবতলী থানা-পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করে।
মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ মিল্টন, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন ও গাবতলীর পৌর মেয়র বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলামসহ ১৩৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে। এই মামলায় সম্প্রতি কারাগারে পাঠানো হয়েছে সুরাইয়া জেরিন রনিকে। আজ ছয় নেতার রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।