বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় এক হিন্দু নারী (২০) কে বিয়ের প্রলোভনে ধর্মান্তরকরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে সোহাগ হোসেন নামের নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার মধ্যরাতে উপজেলা বেড়াগ্রামে নিজ বাড়ি থেকে সোহাগ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোহাগ ওই গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় দুপচাঁচিয়া উপজেলার চামরুল পাঁচথিতা এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে জীবিকার তাগিদে বগুড়ার কাহালু উপজেলার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে কাজ নেন। সেখানেই পরিচয় হয় সোহাগের সঙ্গে। পরিচয় ও বন্ধুত্বের সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ওই হিন্দু নারীকে ধর্মান্তর করান এবং রেজিস্ট্রিবিহীন বিয়ে করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দুপচাঁচিয়া পৌরসভার জয়পুরপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করতে থাকেন। পরে বিয়ে রেজিস্ট্রি করার জন্য সোহাগকে বললে টালবাহানা শুরু করেন।
দুপচাঁচিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযুক্ত সোহাগের নামে ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।