হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

তিন জেলায় দূরপাল্লার বাস বন্ধ, চরম ভোগান্তি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা। গতকাল রাজশাহীর শিরোইল বাসস্ট্যান্ডে। ছবি: আজকের পত্রিকা

বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে পশ্চিমাঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী বেশ কিছু পরিবহনশ্রমিকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। ফলে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বেশির ভাগ পরিবহনের দূরপাল্লার বাস চলছে না। গতকাল সোমবার সকাল থেকে এসব রুটে চলাচলকারী দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, গ্রামীণ ট্রাভেলস, হানিফ, হানিফ কেটিসি পরিবহনের চালক-হেলপাররা তাঁদের দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেন, যা সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (রাত ১০টা) অব্যাহত ছিল। ফলে এসব যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

নাটোর: নাটোরে কথা হয় বাসচালক আব্দুল হালিম ও ইসলাম আলীর সঙ্গে। তাঁরা বলেন, দেশ ট্রাভেলস, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, গ্রামীণ ট্রাভেলস, হানিফ, হানিফ কেটিসির মালিকেরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা কম দিচ্ছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা যাতায়াতে একজন বাসচালককে ১ হাজার ৩৫০, সুপার ভাইজারকে ৫৭০ এবং হেলপারকে ৫৩০ টাকা দেন তাঁরা। অথচ একই রুটে চলাচলকারী একতা পরিবহনসহ অন্যান্য পরিবহনের চালক-হেলপারকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে দেন মালিকেরা।

বাসের চালক-হেলপারসহ শ্রমিকেরা আরও বলেন, ‘বারবার দাবি তোলা হলেও ১৫ বছর ধরে বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়নি। দফায় দফায় বাসমালিকদের সঙ্গে বসেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই সোমবার ভোর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট চলাচলকারী সব গাড়ি বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে কথা হয় দেশ ট্রাভেলসের সুপারভাইজর জাহিদ হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, দেশ ট্রাভেলস, হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, গ্রামীণ ট্রাভেলস, শ্যামলী এনআর ট্রাভেলস ও হানিফ কেটিসির বাসচালকেরা এ কর্মসূচি পালন করছেন। শুধু একতা পরিবহনের বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর বাসের স্টাফদের সঙ্গে মালিকপক্ষের বসার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সে তারিখ পরিবর্তন করে মালিকপক্ষ। এতে হতাশ হয়ে বাসের স্টাফরা ধর্মঘট পালন করছেন।

রাজশাহী: শ্রমিকেরা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা রুটে একজন চালককে পারিশ্রমিক হিসেবে ১ হাজার ৩৫০, সুপারভাইজরকে ৫৭০ এবং হেলপারকে ৫৩০ টাকা দেওয়া হয়। গত ১৫ বছরে একতা ছাড়া অন্য পরিবহনের শ্রমিকদের কোনো পারিশ্রমিক বাড়েনি। তাই পারিশ্রমিক বৃদ্ধির দাবিতে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর বাস চলাচল বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করেন চালক, হেলপার ও সুপারভাইজররা। তখন তাঁদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।

রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি জানান, মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির জন্য বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। এখন শ্রমিকেরা আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত মালিকপক্ষ কোনো আলোচনায় আসেনি।

খরচ তুলতে না পারায় বন্ধ রাবির ই-কার সেবা

চার বছর অপেক্ষার পর এসেছিল প্রথম সন্তান, হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু

ভুয়া চাহিদাপত্রে তেল নিতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের ৫ কর্মী প্রত্যাহার

অফিসের চাহিদা দেখিয়ে ৩০০ লিটার তেল নিতে গিয়ে ধরা ফায়ার সার্ভিসের ৪ কর্মী

রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

হামের উপসর্গ: রামেক হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু

এবার শতকোটি টাকার ওষুধ আনলেন ডা. আজাদ

হামের উপসর্গ: ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে ২ শিশুর মৃত্যু

অবশেষে চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

রামেক হাসপাতাল: আইসিইউ না পেয়ে শিশুদের মৃত্যুতে স্বাস্থ্যসচিবের দুঃখ প্রকাশ