পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। দিনব্যাপী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে পায়রা অবমুক্ত ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়।
পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন অনুষদ, হল ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা ব্যানার-ফেস্টুনসহ অংশ নেন। পরে টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি কীটতত্ত্ব বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মো. হামিদুর রহমান ও ড. মো. মামুন অর রশিদ।
বক্তব্য দেন সাবেক ডিন প্রফেসর ড. বদিউজ্জামান, ডিন প্রফেসর মো. জহিরুল হক, রেজিস্ট্রার ড. মো. হাবিবুর রহমান, ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জামাল হোসেন, ডিন প্রফেসর ড. খোকন হোসেন, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, প্রফেসর ড. মোস্তফা আনোয়ার, ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. আবুবকর সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার, প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক আরিফুর রহমান নোমান, সহকারী রেজিস্ট্রার রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ ও লোকমান হোসেন মিঠু, কর্মচারী মাহবুবুর রহমান ও মোশাররফ হোসেন প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ২৪ বছরের পথচলায় পবিপ্রবি আজ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সীমিত সম্পদ ও নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবসম্পদ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে পবিপ্রবি আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে।
ড. হেমায়েত জাহান বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। ঐক্য, সততা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে পবিপ্রবিকে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করাই আমাদের অঙ্গীকার।’