পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদের তীরবর্তী এলাকার ভাঙন রোধে কাজ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার দশমিনা ইউনিয়নের হাজির হাট লঞ্চঘাট-সংলগ্ন মসজিদ রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
কাজের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ‘উপজেলার ভাঙনকবলিত এলাকার লোকজন ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য মানববন্ধন করেছেন। আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে তিনি পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে তাৎক্ষণিক হাজির হাট মসজিদ রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।’
নুরুল হক আরও বলেন, ‘দশমিনা-গলাচিপা উপজেলায় নদীভাঙন রোধ দু-এক বছরে সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গের তীরবর্তী এলাকা ভাঙনের একমাত্র কারণ নদীর বিভিন্ন স্থানে ডুবোচর। আমি নদীর ডুবোচর কাটার জন্য ইতিমধ্যে পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে ডুবোচরের নির্দিষ্ট স্থান নির্ণয়ের কথা বলেছেন। তথ্য পেলে তিনি দ্রুত নদীর পানির গতিপথ পরিবর্তনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।’
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, উপজেলার চরাঞ্চলে বেড়িবাঁধ এবং তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গের তীরবর্তী কৃষিজমি ও বসতঘর ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি মিজানুর রহমান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবুল বশার, গণঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক লিয়ার হোসেন হাওলাদার, সদস্যসচিব মিলন মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।