পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপে নির্বাচনী প্রচারকালে লিমা জাহান (২৫) নামে অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। বাউফল পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাউফল সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হয়। পরে তাঁরা ওই কলেজের মূল ফটকের সামনে সমাবেশ করেন।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন জামায়াত নেত্রী ডা. জাকিয়া ফারহানা ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
সমাবেশে ডা. জাকিয়া ফারহানা বলেন, চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারকালে অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও অমানবিক।
তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছে। ওই নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর একমাত্র অপরাধ ছিল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়া ও প্রচার চালানো।
সমাবেশে বক্তব্যে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘ভবিষ্যতে যদি কোনো মা-বোন কিংবা আমাদের কোনো কর্মীর ওপর হামলা বা হুমকি দেওয়া হয়, তাহলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আমরা কোনো ভয়ভীতিতে পিছিয়ে যাওয়ার মানুষ নই।’ তিনি আরও বলেন, ‘মা-বোনদের ভোটেই ইনশা আল্লাহ আমরা বিজয়ী হব।’
তিনি চন্দ্রদ্বীপের ঘটনার বিষয়ে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মামলাটি যেহেতু হয়েছে, তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা। বিক্ষোভ মিছিলে বিপুলসংখ্যক নারী অংশগ্রহণ করেন। মিছিল চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।