পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল তিনে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলার সড়াডাঙ্গি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত ছলিম প্রামাণিকের (৭০) উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা থেকে রাজশাহী নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে।
এর আগে, এ দুর্ঘটনায় মারা যান ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সের চালক রাজ শেখ (৩০)।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০), নাতি রিয়াদ সরদার (১৭), একই গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে নাফিজ (৮)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থেকে কেয়া খাতুন নামের এক মেয়ের লাশ নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
তিনি আরও জানান, আহত চারজনকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছলিম প্রামাণিক নামের আরও একজন মারা যান। নিহত ছলিম প্রামাণিক ও বুলু খাতুন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মৃত কেয়ার নানা ও নানি।