সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নোয়াখালীর পাঁচ গ্রামের কয়েকটি পরিবারের মুসল্লিরা ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছেন। আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে এসব গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, বড় পীর হজরত আবু মুহাম্মদ মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদির জিলানীর (রহ.) মতাদর্শ অনুসরণকারীরা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। প্রায় শত বর্ষ ধরে চলে আসা এ প্রথা অনুযায়ী তাঁরা একদিন আগে রোজা রাখেন এবং ঈদ উদ্যাপন করেন।
ঈদ উদযাপনকারী গ্রামগুলো হলো নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়ণপুর, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর গ্রাম।
আজ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে,বসন্তবাগ সিনিয়র মাদ্রাসা জামে মসজিদ, বসন্তবাগ পোদ্দার বাড়ি জামে মসজিদ, নগর বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, ভূঁইয়া বাড়ির দরজা জামে মসজিদ, উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদ, ফাজিলপুর দায়রা বাড়ি জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ফাজিলপুর জামে মসজিদ, রামভল্লবপুর দায়রা শরিফ, হরিণারায়ণপুর রশিদিয়া রহিমিয়া দরবার শরিফ এবং খান্দানে কাদেরী তরিকায়ে আবুল উলাইয়ী গোলামে জাহাঙ্গীরি দায়রা শরিফে।
উত্তর বসন্তবাগ মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. বদরুজ্জামান বলেন, ‘চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রোজা ও ঈদ উদ্যাপন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করি। শত বছর ধরে আমরা এ প্রথা অনুসরণ করে আসছি।’