হোম > সারা দেশ > নেত্রকোণা

সহকর্মীর গুলিতে নিহত কনস্টেবল মনিরুলের জানাজায় মানুষের ঢল

আটপাড়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে সহকর্মীর গুলিতে নিহত পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে ৷ আজ সোমবার সকাল ১০টায় আটপাড়া উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মানুষের ঢল নামে। 

মনিরুল ইসলামের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি মো. খায়রুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান নন্দন। পরে মনিরুল ইসলামকে বিষ্ণুপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। 

মনিরুল বিষ্ণুপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত শামসুল হকের ছেলে। মনিরুলরা তিন ভাই তিন বোন। সবার ছোট মনিরুল। 

পরিবারের লোকজন জানায়, ২০১৪ সালে নেত্রকোনার আঞ্জুমান সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন মনিরুল। পরে ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে ৪র্থ সেমিস্টার পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। এর মধ্যে ২০১৬ সালের শেষের দিকে পুলিশে যোগ দেন। 

তিন বছর আগে জেলার পূর্বধলা উপজেলায় বিয়ে করেন মনিরুল। তাঁর স্ত্রীর নাম তানিয়া আক্তার তন্বী। তাকি নামে তাঁদের দুই বছরের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। 

গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টা থেকে ১২টা ৫ মিনিটের মধ্যে রাজধানীর গুলশান-বারিধারার কূটনীতিক এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশ কনস্টেবল কাওছার আলীর গুলিতে নিহত হন তাঁর সহকর্মী মনিরুল ইসলাম। এ সময় গুলিতে আহত হন জাপানি দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেন।

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: গ্রেপ্তার অপূর্ব ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নেত্রকোনায় কিশোরকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার পরিচালক গ্রেপ্তার

দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যা: আসামি অপূর্ব ১ দিনের রিমান্ডে

দুর্গাপুরে অরুণ-হেনা দম্পতি হত্যা: ১১ বছরেও রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ

সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের গ্রেপ্তার দাবিতে কেন্দুয়ায় মানববন্ধন

ভোরে মুখোশধারীরা জানতে চাইল দুবাইপ্রবাসীর ঠিকানা, পরক্ষণেই গুলি

সাংবাদিক আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন যুবক গ্রেপ্তার

‘মা, কেঁদো না, বাবা আকাশের স্টার হয়ে গেছে’—নিহত আলিফের স্ত্রীকে মেয়ে

সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে নেত্রকোনা ও দুর্গাপুরে মানববন্ধন