হোম > সারা দেশ > নাটোর

নন্দকুঁজা নদীর প্রাণ বাঁচাতে মানববন্ধন

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

নন্দকুঁজা নদী রক্ষায় ‘গুরুদাসপুর সচেতন নাগরিক ফোরাম’-এর ব্যানারে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন। ছবি: আজকের পত্রিকা

একসময়ের খরস্রোতা নদী নন্দকুঁজা। গুরুদাসপুর উপজেলাসহ চলনবিল অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও অথনীতিতে এর অবদান ছিল অনেক। মাছ ও জলজ উদ্ভিদের ভান্ডার ছিল। নদীতীরের মানুষ নদীতে গোসলসহ ঘরগৃহস্থালিতেও নদীটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। সেই নদী এখন আবর্জনার ভাগাড়। দখল ও দূষণে দুই তীর সংকুচিত হয়ে খরস্রোতা নদীটি এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছে। এমন পরিস্থিতিতে নদী রক্ষায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকেরা।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার বাণিজ্যিক এলাকা চাঁচকৈড় গরুর হাট এলাকায় ‘গুরুদাসপুর সচেতন নাগরিক ফোরাম’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সভাপতি অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম, চলনবিল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম আলী আককাছ, জীবনসঙ্গী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এম রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ১৯৯১ সালে গুরুদাসপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাটবাজারের ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া বাসাবাড়ি, মিলকারখানার বর্জ্য যথেচ্ছভাবে এই নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে গত কয়েক যুগে নদীটির প্রায় ১০ ফুট এলাকা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

নন্দকুঁজা নদী রক্ষায় ‘গুরুদাসপুর সচেতন নাগরিক ফোরাম’-এর ব্যানারে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন। ছবি: আজকের পত্রিকা

সাংবাদিক এম এম আলী আককাছ বলেন, গুরুদাসপুর প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানে ময়লা ফেলার জায়গা নির্ধারণ করা হয়নি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা হাটবাজার ও বাসাবাড়ির আবর্জনা সংগ্রহ করে সরাসরি নদীতে ফেলছেন। আবর্জনার কারণে নদীটি প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে ঘটছে পরিবেশদূষণ। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা রকম কর্মসূচি গ্রহণ করেও আবর্জনা ফেলা রোধ করা যাচ্ছে না।

মানবাধিকার সংগঠনের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘নদীরক্ষা আইন উপেক্ষা করে পৌরসভা ও সাধারণ লোকজন নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলে নদী মেরে ফেলছে। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগ নদী রক্ষায় বাস্তবভিত্তিক কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অমানবিক।’

অভিযোগ শিকার করে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে এমনটি চাই না আমিও। তবে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নদীতে ময়লা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। আবর্জনা ফেলার ভাগাড় নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ভাগাড় নির্মাণ করা হবে। তখন আর নদীতে আবর্জনা ফেলা হবে না।’

নাটোরে এল ৭ লাখ লিটার ডিজেল

‘প্রশাসন না থাকলেই বেপরোয়া সিন্ডিকেট, বাধা দিলে হামলার চেষ্টা’

নাটোরের গুরুদাসপুর: ইটভাটার কবলে তিন ফসলি জমি

ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

নাটোরে ট্রাকচাপায় শিশু নিহত

নাটোরে বোতলে তেল না দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কর্মীকে মারধর

ঘোড়া, মহিষ ও গরুর গাড়িতে কনেবাড়িতে এল বরযাত্রা

হামের উপসর্গ নিয়ে নাটোরের সাড়ে তিন মাসের শিশুর মৃত্যু

নাটোরে গুদামে মিলল ১১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল, লাখ টাকা জরিমানা

বড়াইগ্রামে বাসের চাপায় মোটরসাইকেলচালক নিহত