আর মাত্র কয়েক দিন পরই মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে ঘরমুখী মানুষের চাপ কিছুটা কমেছে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিকিট বিক্রেতারা।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও আগের দিনের তুলনায় চাপ কম ছিল। মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিক দিনের তুলনায় বেড়েছে, তবে কোথাও যানজট দেখা যায়নি।
সরেজমিনে শিমরাইল মোড়ে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টারগুলোতে কিছু যাত্রীর ভিড় রয়েছে। তবে তা গতকালের তুলনায় কম। এ সময় কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেন, ঈদ উপলক্ষে বাসের ভাড়া বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রামগামী যাত্রী শাহজাহান বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই যেতে হচ্ছে।’
গৌরীপুরগামী আরেক যাত্রী রাজু আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ দিনে ১০০ টাকা ভাড়া থাকলেও আজ ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। বিষয়টি নজরদারির প্রয়োজন।’
তবে টিকিট কাউন্টারে কর্মরত কয়েকজন ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। বাস কাউন্টার স্টাফ মনির হোসেন বলেন, ‘পূর্বনির্ধারিত ভাড়াতেই গাড়ি চলছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।’ তিনি আরও বলেন, গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি শুরু হলে যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস বলেন, ‘ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে আমাদের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ৪২ জন সদস্য মোতায়েন থাকছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সত্যতা আমরা পাইনি। আমি কিছুক্ষণ পরপর পরিদর্শন করছি।’
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ বলেন, ‘ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে থানার ৮২ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আমাদের কাছে কেউ দেয়নি।’