ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে সব ধরনের ‘জিপি’ ও চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল আসনের সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী। নান্দাইল উপজেলায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি হলে প্রশাসন কঠোরভাবে প্রদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক ও নান্দাইল উপজেলার অন্তর্ভুক্ত এলাকা থেকে সকল প্রকার জিপি ও চাঁদাবাজি বন্ধে মাইকিং করে নান্দাইল হাইওয়ে থানা-পুলিশ। ফলে আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে নান্দাইলে ইজিবাইক, সিএনজি থেকে জিপি ও চাঁদাবাজি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়াও নান্দাইল পৌরসভার ইজারাকৃত নান্দাইল পুরাতন বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড, নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়-সংলগ্ন ইজিবাইক স্ট্যান্ড, হাসপাতাল মোড় খাদ্যগুদাম অটো স্ট্যান্ড ও নান্দাইল মোরগ মহাল অটো স্ট্যান্ডের ১৪৩৩ সনের ইজারা বাতিল করেছে নান্দাইল পৌরসভা।
ইজিবাইকচালক মো. সুজন মিয়া বলেন, ‘জিপি বন্ধ হওয়ায় আমাদের সকল ড্রাইভার খুশি। ইজিবাইক নিয়ে নান্দাইল এসে জিপি দেওয়াটা খুবই বিব্রত লাগত। যারা জিপি নিত, তারা অনেক সময় খারাপ ব্যবহার করত। প্রতিমন্ত্রী জিপি বন্ধ করেছেন; আমরা সবাই উনার প্রতি সন্তুষ্ট।’
নান্দাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, মহাসড়কে নানা রকম চাঁদাবাজি হয়। চাঁদাবাজি যাতে না হয়, সে ব্যাপারে মাইকিং করে জনগণকে অবহিত করা হয়েছে ৷
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নান্দাইল পৌরসভার চারটি স্ট্যান্ডের ইজারা বাতিল ও উপজেলায় সকল ধরনের চাঁদাবাজি ও জিপি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘জিপি ও চাঁদাবাজি বন্ধে নির্বাচনের আগে ইজিবাইক, সিএনজি ও টেম্পোচালকদের জিপি ও চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একটি আধুনিক চাঁদাবাজ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নান্দাইল গড়ে তোলা এখন জনগণের দাবি।’