হোম > সারা দেশ > মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারে নেমেছে বন্যার পানি, তবে বেড়েছে দুর্ভোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

পানি কমলেও ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট কাদায় ভরে আছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমে গেলেও বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট কাদায় ভরে আছে। শুকনো জায়গা না থাকায় অনেক পরিবার এখনো চুলায় আগুন জ্বালাতে পারেনি। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও জ্বালানির সংকটও দেখা দিয়েছে।

আজ সোমবার সরেজমিনে বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পানি কমলেও অধিকাংশ মানুষ এখনো রান্না করতে পারছেন না। ঘর ও রাস্তায় কাদা জমে থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই পাশের বাড়ি বা বিভিন্ন স্থান থেকে রান্না করা খাবার সংগ্রহ করে খাচ্ছেন।

কমলগঞ্জ ও রাজনগর উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার আব্দুর রহিম, মনি বেগম ও রুবেল মিয়া বলেন, বন্যার পানি কমেছে তবে চুলায় আগুন জ্বালানো সম্ভব হয়নি। অনেক কষ্ট করে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারি কোন সহায়তা মেলেনি। বাচ্চারা অনেক কষ্টে আছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য সমস্যা হচ্ছে বেশি।

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মনু ও ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও সদর উপজেলা প্লাবিত হয়। বন্যায় রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি ডুবে যায়। এতে অনেক পরিবারে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। পানি কমার পর এসব এলাকায় নতুন করে নানা দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, `জেলায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। বন্যার্তদের জন্য ইতিমধ্যে খাবার, চাল ও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।'

কমলগঞ্জে বন্যার্তদের মাঝে বিমানবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

বন্যার পর তীব্র গোখাদ্য সংকট, বিপাকে মৌলভীবাজারের ২৮ ইউনিয়নের বাসিন্দারা

মৌলভীবাজারে কমছে বন্যার পানি, বাড়ছে পানিবাহিত রোগের শঙ্কা

মৌলভীবাজারে ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

উত্তাল মনু নদ: মৌলভীবাজারে বন্যায় চার উপজেলার ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী

মৌলভীবাজারে মনু নদের ভাঙনে পানিবন্দী ১০ হাজার মানুষ

মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

ধলাইয়ের পর এবার মনু নদের বাঁধে ভাঙন, মৌলভীবাজারে প্লাবিত হচ্ছে গ্রাম

ধলাই নদের বাঁধ ভেঙে কমলগঞ্জে বন্যা, পানিবন্দী ১০ হাজার মানুষ

মৌলভীবাজারে ধলাই নদের ভাঙন, প্লাবিত হচ্ছে গ্রাম