ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল-কেরোসিন তেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সারা দেশের মতোো মানিকগঞ্জে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী যানবাহন না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ধর্মঘট শুরু করেছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা।
এদিকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে চরম বিপাকে পড়েছে ঢাকাগামী যাত্রী ও সবজি ব্যবসায়ীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় ছেড়ে যায়নি যাত্রীবাহী কোন যানবাহন। বাসস্ট্যান্ড এলাকার পৌর টার্মিনালে সারি সারি বাস বসিয়ে রাখা হয়েছে। উপজেলা থেকেও কোনো পরিবহন ছেড়ে আসেনি। এ কারণে মহাসড়কে কমে গেছে যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহনের সংখ্যা।
এ ব্যাপারে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মানিকগঞ্জ জেলা সভাপতি জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের মালিক-শ্রমিকদের ডাকে বাস ও ট্রাক চলাচল ভোর থেকে বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, আগামী রোববার বিআরটিএর সঙ্গে মালিক-শ্রমিকদের বৈঠকে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার এভাবে তেলের দাম বাড়াতে পারে না। তেলের মূল্যবৃদ্ধির আগে অবশ্যই পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে তাদের বসা উচিত ছিল। হঠাৎ করে তেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এদিকে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে চরম বিপাকে পড়েছে মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী যাত্রীরা। তারা বাড়ি থেকে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে বাসস্ট্যান্ডে এসে পরিবহন না পেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ছোট যানবাহনে করে রওনা দিচ্ছে। আবার কেউ পরিবহন না পেয়ে উল্টো বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।