কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. বাদল রহমানের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বড় ছেলে আসিফুর রহমান শাহীল কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদল রহমানকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শ্বাসরোধ করে বা অন্য কোনোভাবে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার জন্য শহরের চরশোলাকিয়া বেপারি বাড়ি পুকুরের পানিতে ফেলে রাখে।
শাহীল বলেন, ‘আমার সন্দেহ বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। আশা করছি, পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করবে।’
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ দাউদ বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাদল রহমানের ছেলে আসিফুর রহমান শাহীল বাদী হয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত করছে। মূল ঘটনা উন্মোচন না করা পর্যন্ত তদন্ত অব্যাহত থাকবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, নানা দিক বিবেচনায় নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।