কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল গুদামজাত, কেনাবেচার অপরাধে তিনজনকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া আনুমানিক ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জব্দ চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের দায়ে এক বেকারি মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভৈরব বাজারের ঘোড়াকান্দা রোডের একটি আবাসিক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিমুল হক অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
অভিযানে সরকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল গুদামজাত ও বিক্রির দায়ে জাল ব্যবসায়ী বশির আহামেদকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল কেনার দায়ে সাব্বির মিয়া ও সোহাগ মিয়াকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার জব্দকৃত চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের দায়ে ভোক্তা অধিকার আইনে খাজা বেকারির মালিক হাজী মিজানুর রহমানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন, ভৈরব শহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এবং উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজিমুল হক জানান, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল মৎস্যসম্পদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।