কিশোরগঞ্জে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশের তিন কর্মীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার জেলা শহরের একরামপুর, পুরান থানাসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় দেড়-দুই ঘন্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ শতাধিক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস সেল, রাবার বুলেট ও শর্টগানের ফাকা গুলি চালিয়েছে।
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুবকর সিদ্দিক বলেন, কোনো অনুমতি না নিয়েই আজ বেলা ১২টার দিকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের একরামপুর এলাকা থেকে লাঠিসোটা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।মিছিলটি পুরান থানা এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
মিছিলকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও রেললাইনের পাথর নিক্ষেপ করে। পুলিশের সঙ্গে চলে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে মিছিলকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। প্রায় দুই ঘণ্টা সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসে।
আটকের বিষয়ে আবুবকর সিদ্দিক জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন জনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার পর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।