অতিরিক্ত কচুরিপানা ও পানির অভাবে চলতি বোরো মৌসুমে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম হাওরের ৬শ একর জমি অনাবাদি রযে গেছে। সরকারি সহযোগিতা না পেলে এসব জমি বহুদিন অনাবাদী থাকবে বলে মনে করছেন সেখানকার কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, উপজেলার খয়েরপুর, আব্দুল্লাপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের প্রায় ৬শ একর ফসলি জমি অনাবাদি রয়েছে এ বছর। গেল বর্ষার পানিতে ভেসে আসা কচুরিপানা। নদীতে পানি কম থাকায় সেচ সংকট এবং উৎপাদন খরচ বাড়ায় কৃষকরা এসব জমি চাষে আগ্রহ হারিয়েছে।
আব্দুল্লাপুরের কৃষকরা বলেন, গত বর্ষায় পাহাড়ী ঢলের সঙ্গে ভেসে আসে কচুরিপানা। প্রতি একর জমি থেকে এসব কচুরিপানা সরাতে খরচ হবে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। সেচ এবং বাড়তি খরচ দিয়ে উৎপাদিত ধান বিক্রি করে লোকসান গুনতে হবে। লোকসানের ভয়ে এসব জমি চাষ করা হয়নি।
অন্যদিকে পূর্বে যারা এসব জমি চাষ করে করেতা। তারা এখন উদ্বিগ্ন সংসার ও সন্তানদের পড়া লেখার খরচ চালানো নিয়ে।
পূর্ব আব্দুল্লাহপুর গ্রামের কৃষক মফিজ উদ্দীন বলেন, আমার তিন একক জমি কুচুরিপানার কারণে চাষ করি নাই। সংসার ও ছেলে-মেয়ের পড়ালেখা খরচ কিভাবে চালাবো জানি না। এ সমস্যা সমাধানে সরকারি সহযোগিতা দরকার।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকা কে বলেন, ডিজেলের পরিবর্তে বিদ্যুতের মাধ্যমে সেচ দেওয়া গেলে উৎপাদন খরচ কমে আসতো। তখন কৃষকদেরও চাষ করতে আগ্রহ বাড়তো। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।