কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় কৈলাগ ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কৈলাগ ও রাহেলা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে নিহতের নাম শফি মিয়া (৫০)। তিনি কৈলাগ গ্রামের তারু মিয়ার ছেলে। গুরুতর আহতরা হলেন, সেকান্দর আলীর ছেলে মস্তু মিয়া (৪৫), ছেনু মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া (২৬), ও ইমরান মিয়া (২৫)। তাঁদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কৈলাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিষ্টু মিয়া ও আলমগীর মেম্বারের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার আলমগীর পাশের গ্রাম শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে দুই তিনজন তাকে রাস্তা আটকে মারধর করে। এ ঘটনার জেরে আজ শুক্রবার সংঘর্ষ শুরু হয়।
বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষে একজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। নিহত শফি মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।