ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনতে অনেক প্রার্থী রিকশা দিচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোটারের উপস্থিতি কম দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতিও বাড়ছে। বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের এজেন্ট থাকলেও অনেক কেন্দ্রে লাঙ্গল ও শাপলা কলির প্রার্থীরা এজেন্ট দেননি।
সরেজমিনে সকাল সাড়ে ৮টায় মৌলভীবাজার-৪ আসনের কমলগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, প্রথম ১ ঘণ্টায় ১০০টি ভোট ও পতনঊষার উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রে ২৩টি ভোট ও দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৭ ভোট পড়েছে।
কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইনা দেখা না গেলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়ছে। বিশেষ করে ওই আসনের ধানের শীষ, রিকশা ও ফুটবল প্রতীকের প্রার্থীরা ভোটারদের রিকশা দিয়ে কেন্দ্রে আনছেন, যাতে ভোটারের উপস্থিতি বাড়ে।
আহমদ মিয়া, সাহেদ আলী নামের দুজন ভোটার বলেন, ‘অনেক দিন পর ভোট দিতে আসলাম। বাড়ি থেকে রিকশা দিয়ে আমাদের আনা হয়েছে। সকালে লাইনে দাঁড়োনো লাগবে না, এ জন্য সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিলাম।’
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, রিকশা প্রতীকের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী, শাপলা কলির প্রীতম দাশ, লাঙ্গল প্রতীকের জাহিদ আহমেদ জরিফ, ফুটবল প্রতীকের মহসিন মিয়া মধু। তবে লাঙ্গল ও শাপলা কলির প্রার্থীদের এজেন্ট দেওয়া হয়নি বিভিন্ন কেন্দ্রে।
দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমার এই ভোটকেন্দ্র মোট ভোটার ২ হাজার ৩৬৫ জন। প্রথম ১ ঘণ্টায় ৬৭টি ভোট পড়েছে।’