খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ক্যাম্পাসের খান জাহান আলী হল সংলগ্ন পুকুরে ডুবে সায়েম ফেরদৌস নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের ২০২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি পাবনা জেলায়। আজ রোববার (১৭ মে) বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিকেলে কুয়েটের খান জাহান আলী হল সংলগ্ন পুকুরে সাঁতার কাটতে নামেন সায়েম ফেরদৌস। একপর্যায়ে তিনি পানির নিচে তলিয়ে যান। বিষয়টি বুঝতে পেরে সহপাঠীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন এবং পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ মিনিট ২৫ ফুট গভীর পানির নিচে থাকার পর তাকে উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারের পর দ্রুত তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় কুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাহেদুজ্জামান শেখ জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যান। এ সময় তাঁরা মৃত শিক্ষার্থীর পরিবার এবং স্বজনদের গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।
উপাচার্য মৃত শিক্ষার্থীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ ঘটনায় পুরো কুয়েট ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মৃত শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। উল্লেখ্য, মৃত শিক্ষার্থী পাবনা জেলার দিলালপুর পি কে শাহা রোড এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুস সামাদের ছেলে।