বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনি। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানের সঙ্গে।
আজকের পত্রিকা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে নতুন বাংলাদেশে ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবে?
অমিত: জুলাই গণ–অভ্যুত্থান যে স্পিরিট, সেই স্পিরিট আমি আর আমার দল ধারণ করে। কারণ জুলাই আন্দোলন তো বৈষম্যহীন বাংলাদেশের কথা বলে। মানুষ আমাকে ভোট দেবে।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মনোভাব কী?
অমিত: আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভিন্ন রাজনীতিক দলের হলেও সবাইকে আমি সম্মান করি।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচনে জয়ী হলে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?
অমিত: যশোরের একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল; সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি সেই সৌহার্দ্য সম্প্রীতি সহাবস্থানের রাজনীতি শুরু করতে চাই। কিশোর গ্যাং মুক্ত করতে চাই, উন্নয়ন বঞ্চিত যশোরকে একটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নগরায়ণ করতে চাই। ভবদহে যে জলাবদ্ধতা সমস্যা স্থায়ী সমাধান করতে চাই।
আজকের পত্রিকা: জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
অমিত: আমার জনগণের প্রতি আস্থা রয়েছে। দীর্ঘ সময় আমি জনগণের সঙ্গে মিশে চলেছি। সুষ্ঠু নির্বাচন যদি হয়, সৃষ্টিকর্তা আমাকে যশোর-৩ আসনে মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবেন।
আজকের পত্রিকা: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা যদি ভোট কেন্দ্রে যেতে চান, তাহলে আপনার মনোভাব কী থাকবে?
অমিত: যারা সমাজে ক্ষতির কোনো কারণ হয়নি, যারা জনগণের মনঃকষ্টের কারণ হয়নি। সেই মানুষ যে দল, যে মতের হোক কিংবা দর্শনের বা যে ধর্মের বিশ্বাসী হোক না কেন; তাদের প্রতি মনোভাব পজিটিভ।
আজকের পত্রিকা: আওয়ামী লীগের আমলে কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিতে দেখা গেছে সদরের এমপিদের। এই বিষয়ে আপনার মনোভাব কী থাকবে?
অমিত: যদি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে চান, তাহলে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ থাকতে হবে। সামাজিক ও ক্ষমতাসীন দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এসব সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়ে। আমার রাজনৈতিক অঙ্গীকার হলো-মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল।