একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে বিএনপি থাকে না, আ.লীগও থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। আজ বুধবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের পাকুরতিয়া বাজারে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
এস এম জিলানী বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ যদি না থাকে, তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থাকেন না। আর বিএনপিও থাকে না, আওয়ামী লীগও থাকে না। বাংলাদেশে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি এবং মুক্তিযুদ্ধের দল ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে স্বাধীনতাবিরোধীদের মোকাবিলা করবে, ইনশা আল্লাহ।’
এস এম জিলানী বলেন, ‘নির্বাচন এসেছে আর স্বাধীনতাবিরোধীরা জোট করেছে। সেই জোট থেকে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে রাজবাড়ী থেকে এক ভদ্রলোক এসেছেন, মাথায় জিন্নাহ ক্যাপ (টুপি) পরেন। পাকিস্তানিরা যে ক্যাপ পরে এলাকায় চলাচল করত, সেই একই ক্যাপ পরে উনি সনাতনী ধর্মাবলম্বী মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য এখানে নির্বাচন করার পাঁয়তারা করছেন। আমি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে খাটো করে দেখছি না। কিন্তু যারা ধর্মের লেবাস পরে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বিভ্রান্ত করে ভোট নিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কথা আমাদের বলতেই হবে।’
টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া জনগণের উদ্দেশে জিলানী বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে এখানকার মানুষগুলো অসহায় হয়ে পড়েছে। কারণ, ঢাকা গিয়েও তারা নিজেদের বাড়ি টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ বলতে ভয় পায়। আমি দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই, আমাকে যদি আপনারা ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠান; শান্তি ও নিরাপত্তা আমি আপনাদের দেব। আমি যদি নির্বাচিত হয়ে পার্লামেন্টে যেতে পারি, তাহলে শুধু ঢাকা শহর নয়, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া বুক ফুলিয়ে সিনা টান করে চলবেন।’
শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব কাজী আবুল খায়ের, টুঙ্গিপাড়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবলু, যুবদলের সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।