ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে ২৬ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। তিন লাখেরও বেশি ভোটারের এই আসনে এত কম ভোটার উপস্থিতির পেছনে ‘শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ না থাকাকে দায়ী করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, ‘সেখানে তেমন কোনো প্রার্থী ছিল না। এক প্রার্থী তেমন পরিচিতও ছিলেন না। এ কারণে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়নি।’
আজ রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
মো. আলমগীর বলেন, ‘কত শতাংশ ভোট পড়লে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে এই ধরনের কোনো শর্ত নেই। তাই ভোট যদি শান্তিপূর্ণ হয় এবং নিয়মমত হয়, কোনো অনিয়ম না হয়; সমস্ত নিয়মকানুন যদি ফলো করে, তাহলে অবশ্যই তো গ্রহণযোগ্য ভোট বলতে হবে।’
এই নির্বাচন কমিশনার মনে করেন, যেহেতু সাধারণ নির্বাচনের আর অল্প সময় আছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই ভোটাররা মনে করেন যে এখানে তো সরকারের কোনো পরিবর্তন হবে না। আর যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনিও কাজ করার তেমন একটা সময় পাবেন না। তাই ভোটারদের আগ্রহ কম।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মো. আলমগীর কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও সাম্প্রতিক সময়ের পৌর নির্বাচনগুলোর উদাহরণ টানেন। তিনি জানান, কুমিল্লায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। পৌরসভার ভোটেও তাই হয়েছে। এসব নির্বাচনে ভোটের হার অনেক বেশি।
যেখানে মেয়াদ বেশি থাকে, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকে, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকে। এটিই আমরা মনে করি। হয়তো গবেষণা করলে সঠিকটা বোঝা যাবে—যোগ করেন সাবেক এই ইসি সচিব।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর জানান, ভোটার উপস্থিতি কম থাকা কোনো আশঙ্কা নয়। আইন অনুযায়ী কত শতাংশ ভোট পড়তে হবে এমন কোনো শর্তও নেই। কিংবা কম ভোট পড়লে নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে এমনটা বলার সুযোগও আইনে নেই।