হোম > সারা দেশ > দিনাজপুর

মরদেহ আনতে দাউদকান্দিতে স্বজনেরা, নিহতদের বাড়িতে শোক

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনায় লাশ আনতে দাউদকান্দিতে পৌঁছেছেন নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা। এদিকে একসঙ্গে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ ও বিরামপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার হাসানপুর এলাকায় চালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা ধান কাটার শ্রমিক।

পরে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হলে স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত মরদেহ আনতে দাউদকান্দির উদ্দেশে রওনা দেন। বেলা আড়াইটার দিকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের নেতৃত্বে তাঁরা দাউদকান্দি থানায় পৌঁছান। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে মরদেহ নিয়ে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে নবাবগঞ্জ উপজেলার কুচদহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. সবিবুর রহমান জানিয়েছেন।

সবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল ৬টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নবাবগঞ্জ উপজেলার তিনজন নিহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন মধ্যখালী মিশনপাড়ার মো. আজাদের ছেলে মোহাম্মদ আফজাল হোসেন (৩৫), মো. আলমের ছেলে সোহরাব হোসেন (৪০) ও ফজলুর রহমানের ছেলে আব্দুস সালেক (৪৫)। সোহরাব ও সালেক সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।’

সবিবুর রহমান আরও বলেন, পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন মিলে একটি মাইক্রোবাসে দ্রুত দাউদকান্দির উদ্দেশে রওনা হন। বর্তমানে তাঁরা দাউদকান্দি থানায় অবস্থান করছেন।

নিহত আব্দুস সালেকের ছেলে সাগর (২৬) বলেন, তাঁর বাবা দিনমজুর ছিলেন। ধান কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে সোমবার রাতে দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। সাগর জানান, তাঁদের বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলার মধ্যখালী মিশনপাড়ায়। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে স্নাতকে পড়লেও অর্থাভাবে বর্তমানে তাঁর পড়াশোনা বন্ধ রয়েছে।

সালেকের ভাই ও সোহরাবের চাচা তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সালেক আমার ভাই, সোহরাব আমার ভাতিজা। আর আফজাল আমার তালতো ভাই। একই পরিবারের দুজনসহ তিনজন ঘনিষ্ঠ স্বজনকে হারিয়ে আমরা হতবিহ্বল হয়ে পড়েছি। বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গেছে।’

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার নিশিবাপুর (ভাইগড়) গ্রামে। তাঁরা হলেন পলাশের ছেলে সুমন (২১), মজিরুলের ছেলে আবু হোসেন (২৯), রাকিবুল্লার ছেলে আব্দুর রশিদ (৫৮) ও একই গ্রামের বিষু মিয়া (৩৪)।

বিরামপুর উপজেলার ৬ নম্বর জোতবানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একসঙ্গে চারজন নিহত হওয়ায় গ্রামজুড়ে শোকের মাতম চলছে। নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা মরদেহ আনতে দাউদকান্দির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

এই ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন আমির আলী (৪৫), তরিকুল ইসলাম (৫০), জালাল হোসেন (৩৭), মো. আমিনুল ইসলাম (৩৮) ও জাহাঙ্গীর আলম (৪০)।

বড়পুকুরিয়া খনি: কয়লা এখন গলার কাঁটা

রোগীর মৃত্যু নিয়ে হাতাহাতি, দিনাজপুর মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

দিনাজপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতিসহ ৯ পদে বিএনপি-সমর্থিত প্যানেল বিজয়ী

প্রেমিকার কাছে এএসপি রাজমিস্ত্রি মোস্তাফিজুর, কার্ড বানাতে গিয়ে ধরা

ধর্ষণের অভিযোগে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

নবাবগঞ্জে ছয়টি ঘোড়া জবাই, তিনজনকে কারাদণ্ড

দিনাজপুরে অবৈধভাবে মজুতের ১৬৭১ লিটার ডিজেল জব্দ

দাঁড়িয়ে থাকা বালুর ট্রাকে চলন্ত বাসের ধাক্কা, নিহত ২

পার্বতীপুরে নাসিমা বেগমের দাফন সম্পন্ন

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত নাসিমা বেগমের দাফন পার্বতীপুরে সম্পন্ন