হোম > সারা দেশ > ঢাকা

‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একমাত্র পথ নবায়নযোগ্য জ্বালানি’

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানো জরুরি। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পণ্যের ওপর ভ্যাট ও কর কমানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ব্রাইটার্স ও সচেতন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ, সি-থ্রি-ইআর, সিপিআরডি এবং বিএসআরইএ সহযোগিতা করে।

বক্তারা বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত তেল আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করতে হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনাকে ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব ইতিমধ্যে দেশের বাজারেও পড়েছে।

বক্তারা জানান, বর্তমানে দেশে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন মোট উৎপাদনের মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। একটি স্বার্থান্বেষী মহল সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, বিশেষ করে জমি সংকট ও কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে। তবে সময়মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর না হলে দেশের জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

এ ছাড়া সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, অতীতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনায় অংশ নেওয়া রাজনীতিবিদেরা বলেন, বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যারা ক্ষতি করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, গত এক দশকে বিশ্বের অনেক দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো বিপরীত ধারায় এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশের আহ্বায়ক শরীফ জামিল, বিএসআরইএর প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আল মাহমুদ, সচেতন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবিব রহমান, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেলসহ বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন ফোরামের নেতারা।

ডিএনসিসির উদ্যোগে ভাষানটেকে ৪৫০ সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন

সাভারে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ মৃত্যু: ১৩ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ৫ মে

চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে মতিঝিলে ৬ ব্যাংক কর্মকর্তার মানববন্ধন

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, সোমবার উদ্বোধন

শিশুকে অপহরণের পর হত্যা: দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

কেরানীগঞ্জে খালের মুখ বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ, জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় তিন গ্রামের বাসিন্দারা

যাত্রাবাড়ীতে ৯ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ