সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে করা মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান ও তাঁর স্ত্রীকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে তাঁদের পাসপোর্ট জমা রাখতে বলা হয়েছে। তাঁর ছেলে ও দুই মেয়েকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এম এম মুজিবুর রহমানের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
১৬ সেপ্টেম্বর সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে করা মামলায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠান, তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন।
এর আগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. শফি উল্লাহ ১৫ সেপ্টেম্বর পৃথক পাঁচটি মামলা করেন।
মামলায় তাঁদের পাঁচজনের বিরুদ্ধে ১৮৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার ২৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭২ হাজার ৭৩৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। পাঁচ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারাসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২-এর ৪ (২) ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।