হোম > সারা দেশ > ঢাকা

টিপু ও প্রীতি হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ না হওয়ায় ফিরে গেলেন বাদী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরান প্রীতি হত্যা মামলায় মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদারসহ ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে ফিরে গেলেন বাদী। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এ মামলার বাদী জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন। কিন্তু সাক্ষ্য গ্রহণ না হওয়ায় তিনি ফিরে যান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারক আলী হোসাইন ছুটিতে থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আগামী ২০ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ ধার্য করেন।

ওই আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য প্রথম তারিখ ধার্য ছিল। মামলার জামিনপ্রাপ্ত দুই আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল ৩৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।

এ মামলার আসামিরা হলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মারুফ আহমেদ মনসুর, আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহম্মেদ মন্টু, ফ্রিডম মানিক ওরফে জাফর, প্রধান সমন্বয়কারী সুমন সিকদার মুসা, শুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশ, শামীম হোসাইন, তৌফিক হাসান ওরফে বিডি বাবু, ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মারুফ রেজা সাগর, ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুর রহমান ওরফে ‘ঘাতক’ সোহেল, মতিঝিল থানা জাতীয় পার্টির নেতা জুবের আলম খান রবিন, হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল শাহরিয়ার, মাহবুবুর রহমান টিটু, নাসির উদ্দিন মানিক, মশিউর রহমান ইকরাম, ইয়াসির আরাফাত সৈকত, আবুল হোসেন মোহাম্মদ আরফান উল্লাহ ইমাম খান, সেকান্দার শিকদার আকাশ, মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম মাতবর, আবু সালেহ শিকদার, কিলার নাসির, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ মারুফ খান, ইশতিয়াক আহম্মেদ জিতু, ইমরান হোসেন জিতু, রাকিবুর রহমান রাকিব, মোরশেদুল আলম পলাশ, রিফাত হোসেন, সোহেল রানা, ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক নেতা আমিনুল, সামসুল হায়দার উচ্ছল ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান বাবুল।

গত বছরের ৫ জুন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। চার্জশিটভুক্ত ২৪ জন বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার হন। পরে একজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের মধ্য আসামি রাকিব ও মোরশেদুল জামিনে আছেন। অন্যরা কারাগারে আছেন।

২০২২ সালের ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে বাটা শো-রুমের সামনে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা সামিয়া আফরান প্রীতি (১৯) নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন। এ ছাড়া টিপুর গাড়িচালক মুন্না গুলিবিদ্ধ হন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর ওই রাতেই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

বাস ঘোরানোর সময় আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় কয়েকজন: পুলিশ

‘মজুরি বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করলেই শ্রমিকেরা হয়ে যান তৃতীয় পক্ষ’

আবাসিক হলে পুলিশি হামলা, অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের ছাত্রীদের প্রতিবাদ

রাজধানীতে বাসে আগুন

গোপালগঞ্জের আওয়ামী লীগের ৩ নেতা ঢাকায় গ্রেপ্তার

ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাইলেও আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না: সুরঞ্জন ঘোষ

রাজধানীতে দুই দিনব্যাপী ‘আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলার’ উদ্বোধন

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৪৪, মামলা ৬২

অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে আজিমপুরে সড়ক অবরোধ

চাঁদা না পেয়ে এ জে আর কুরিয়ারের কাভার্ড ভ্যানে আগুন ধরাল দুর্বৃত্তরা