বেলা ৫টায় ঢাকা মেডিকেল থেকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজ কর্মস্থলের সামনে শেষবারের মতো আসলেন শফিকুর রহমান কাজল (৫০)। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর সহকর্মী ও এলাকার পরিচিত বাসিন্দারা। সদালাপী ও হাসিমুখের মানুষটির এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন কেউই।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে কাজলের লাশ পৌঁছাতেই কান্না আর ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাসিন্দারা। পুরো এলাকায় ছড়িয়ে যায় শোকের আবহ। একপর্যায়ে অভিযুক্ত আজাহারের ফাঁসির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন সহকর্মী ও স্থানীয়রা। বিক্ষোভ শেষে সন্ধ্যায় রেস্তোরাঁর সামনের সড়কে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে বন্দরের নবীগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কুশিয়ারা কবরস্থানে দাফন করা হয় তাঁকে।
রেস্তোরাঁর কর্মচারী ইব্রাহিম বলেন, ‘ম্যানেজার কাজল ভাই অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর কোনো দোষই ছিল না সেদিন। তিনি গুলির শব্দ শুনে দৌড়ে সামনে আসায় তাকে গুলি করে মেরে ফেলল। আমরা এই খুনির ফাঁসির দাবি জানাই।’
এদিকে রেস্তোরাঁ মালিক শুক্কুর আলীর দায়ের করা মামলায় আসামি আজাহার তালুকদার ও তাঁর ছেলে আরিফ তালুকদার মোহনকে দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার বিকেলে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাঁদের আদালতে পাঠায় পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলম এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান।