হোম > জাতীয়

জামায়াত নেতাদের সাজা নিয়ে প্রশ্ন শিশির মনিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বিচার ও সাজা কার্যকর করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে কারাগারে থাকা জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিলের শুনানিতে আজ মঙ্গলবার এই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির আপিল বিভাগে এই শুনানি হয়। ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক আগে শুনানি করলেও তাঁর বাবা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুর কারণে গতকাল শিশির মনির শুনানি করেন। পরবর্তী শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করা হয়।

শুনানিতে শিশির মনির বলেন, সাক্ষী ১৬১ ধারায় জবানবন্দি দিলেও আদালতে আসার পর দেখা গেল তিনি ঘটনার তারিখ-সময় বলতে পারছেন না। পরে অনেক সাক্ষীকে আদালতে আনা হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ওই সময় ১৭ জনের তালিকা দিয়ে বলা হয়েছিল, তাঁরা আদালতে আসতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনাল ওই আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন; যে কারণে আসামিপক্ষ অনেক সাক্ষীকে জেরা করতে পারেনি। সাক্ষীদের জেরা করা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। অথচ জেরা না করতে অ্যাক্ট ও রুলস পরিবর্তন করা হয়েছিল।

শিশির মনির বলেন, ওই সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আসার সুযোগ ছিল না। বিচারটা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সাক্ষী সুখরঞ্জন বালিকে ট্রাইব্যুনালের গেট থেকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। তাঁরা সিসিটিভির ফুটেজ দেখতে চেয়ে আবেদন করলে তা খারিজ করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে এসে সাক্ষ্য দিতে না চাইলে তাঁকে আদালত থেকেই কারাগারে পাঠানো হয়।

এ টি এম আজহারের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, একজন সাক্ষী ৬ কিলোমিটার দূর থেকে দেখেছেন পাকিস্তানিদের সঙ্গে এ টি এম আজহার ট্রেন থেকে নেমে গ্রামে আগুন দিয়েছেন। ঘটনার স্থান বর্ণনা করা হয়েছে এক জায়গায়, সাক্ষী বলছেন অন্য জায়গায়। একজন সাক্ষী বলেছেন, তাঁর ছেলে-মেয়ে কয়টি, তা তিনি জানেন না। তাঁর সাক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে। একজন সাক্ষী বলেছেন, তাঁর বাবাকে কে মেরেছে, তা তিনি দেখেননি, বাবাও তাঁকে বলেননি। অন্য একজন বলেছেন, এ টি এম আজহার মেরেছেন। একজন সাক্ষী পাচক। তিনি কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষকে চেনেন না, অন্য ছাত্রসংগঠনের নেতাদের চেনেন না, অথচ আজহারুল ইসলামকে চেনেন বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

শুনানিতে শিশির মনির আরও বলেন, এক সাক্ষী বলেছেন, এ টি এম আজহার ঝাড়ুয়ার বিলের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত নন। অথচ আপিল বিভাগ বলেছেন, এখানে এই কথা সত্য নয় ধরে নিতে হবে। এসব সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে এ টি এম আজহারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদিও আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি বলেছেন, এসব সাক্ষী বিশ্বাসযোগ্য নন। পরে কয়েকটি অভিযোগ থেকে তিনি এ টি এম আজহারকে খালাসও দেন।

জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার বিষয়ে শিশির মনির বলেন, ‘কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর খারিজ করা হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আদেশে ওই দিন রাতেই তড়িঘড়ি করে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করে সরকার। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন করার জন্য এই ফাঁসি কার্যকর করা হয়। কী কারণে রিভিউ খারিজ হলো, সেটা আমরা জানতে পারিনি। সাধারণত আসামির মুক্তির জন্য সংক্ষিপ্ত আদেশ ফলো করা হয়। তবে কারও ফাঁসির জন্য সংক্ষিপ্ত আদেশের এটা প্রথম ঘটনা। উপমহাদেশে এমন নজির আর নেই।’

ভূমধ্যসাগরে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু: মানব পাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

পাঁচ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রাম প্রতারণা চক্রের ৮ জন গ্রেপ্তার, ৫১ হাজারের বেশি সিম জব্দ

‘রেস্তোরাঁ ব্যবসা করপোরেটদের দখলে নিতে কৃত্রিম গ্যাস-সংকট’

রাজধানীর জুরাইনে মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দিনমজুরের মৃত্যু

মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন