পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সকাল থেকে রাজধানীর সাতটি কেন্দ্রে প্রবাসী শ্রমিকদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু বিএমইটি স্মার্টকার্ড, পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও অনেকে টিকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে টিকা নিতে আসা প্রবাসীদের অনেকের অভিযোগ, তাঁরা টিকা পাচ্ছেন না। সবকিছু থাকা সত্ত্বেও টিকা দেওয়া হচ্ছে না। একটি নির্দিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির নতুন কর্মীদের টিকার অনুমতি দেওয়ায় বিক্ষোভ করেন প্রবাসীরা। রেজিস্ট্রেশন বন্ধ থাকায় টিকা পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ তাঁদের।
এর আগে গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক জানান, পরিবহন প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায় ঢাকার সাতটি কেন্দ্রে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। প্রবাসী শ্রমিকদের যাঁরা এই টিকা ছাড়া বিদেশে যেতে পারছে না, তাঁরাই শুধু এই মুহূর্তে ফাইজারের টিকা নিতে পারবেন। জনশক্তি ব্যুরো থেকে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী দেওয়া হবে এই টিকা।
সাতটি কেন্দ্র হলো—ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।
গত ৩১ মে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত টিকাবিষয়ক কর্মসূচি কোভ্যাক্স থেকে ১ লাখ ৬২০টি ডোজ ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা দেশে আসে। পরে ২১ জুন রাজধানীর তিনটি কেন্দ্রে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল) ২৪০ জনকে পরীক্ষামূলক দেওয়া হয় এই টিকা।
এর আগে দেশে টিকা প্রয়োগ শুরুর পর অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মডার্না, ফাইজার ও জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা পেতে দাবি জানিয়ে আসছিল প্রবাসীরা। শেষ পর্যন্ত সরকার ফাইজারের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।