পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন প্রায় সব শিক্ষার্থীর। শুধু শিক্ষার্থী নয়, অভিভাবকেরাও স্বপ্ন দেখেন। ভর্তি পরীক্ষার চাপ যেমন ছেলে-মেয়েদের ওপরে থাকে, তেমনি চাপে থাকেন বাবা-মা। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বসে পরীক্ষা শেষ হওয়ার প্রহর গুনছিলেন বাবা-মায়েরা। সবার কপালে ছিল চিন্তার ভাঁজ।
অভিভাবক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের সময়ে তো এত প্রতিযোগিতা ছিল না। এখন প্রতিযোগিতা এত বেশি যে ছেলে-মেয়েদের পাশাপাশি আমরাও হয়রান হয়ে যাচ্ছি ভালো কিছুর আশায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কখনোই চাপ কমবে না। সিট বাড়ালেও হয়তো এমনই লড়াই করতে হবে।’
ছেলে ভেতরে পরীক্ষা দিচ্ছে আর বাইরে মা তাসলিমা বেগম প্রহর গুনছিলেন। তিনি বললেন, ‘মধ্যবিত্তদের অনেক ঝামেলা। অনেক কিছু হিসাব করে চলতে হয়। শিক্ষিতও হতে হয়, মিনিমাম চলার মতন আয়-রোজগারও করতে হয়। আমার ছেলেকে আমি চাপ দেই না, তবে যদি সে কোনো পাবলিকে চান্স পায়, সেটা আমার জন্যই অনেক সুবিধা। ছেলে-মেয়েরা তাদের সেরাটা দিয়েই চেষ্টা করবে, বাকিটা ওপরওয়ালা যা কপালে রেখেছেন।’
মেয়ের পরীক্ষা, তাই তিন দিন আগেই অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন মঞ্জুরুল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘মেয়ের অনেক ইচ্ছা সে এখানেই পড়বে। অনেক কষ্ট করছে, আমি দেখছি। এখন শুধু দোয়া করা ছাড়া আমাদের মতন অভিভাবকদের আর কিচ্ছু করার নাই। ওপরওয়ালা যদি মনে করেন ও এর যোগ্য, তাহলে এখানেই ও চান্স পাবে।,